সেটাপ দিন জুমলা..
http://media.somewhereinblog.net/images/thumbs/rupok_abc_1224003708_8-joomla-logo-vert-color.png
জুমলা হচ্ছে এমন একটি কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সি.এম.এস) যার মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন ধরনের ওয়েবপেজ নির্মান ছাড়াও শক্তিশালী ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন তৈরী করতে পারবেন।
তো আসুন দেখা যাক কিভাবে আপনি আপনার ওয়েব সার্ভারে জুমলা সেটাপ দিতে পারবেন।
প্রথমে আপনার হোস্টিং কোম্পানির সাথে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হউন যে তারা মাইএসকিউএল সাপোর্ট করে কিনা। তারপর তাদের নিয়মানুযায়ী একটি ডাটাবেজ তৈরী করুন। ডাটাবেজটি যেকোন নামে তৈরী করতে পারেন। তবে খেয়াল রাখবেন, তৈরীকৃত ডাটাবেজের জন্য যে ইউজার তৈরী করবেন, তার যেন ডাটাবেজটির উপর সব ধরনের কন্ট্রোল থাকে।
আর যদি আপনি আপনার পিসিতে সেটাপ দিতে চান তাহলে আপনাকে আপনার পিসিতে ভার্চুয়াল সার্ভার সেটাপ দিতে হবে। ভার্চুয়াল সার্ভার সেটাপ প্রক্রিয়া পরবর্তীতে বিস্তারিত বলব।
ধরলাম আপনি মাইএসকিউএল ডাটাবেজ ক্রিয়েট করেছেন। এরপর আপনি জুমলার সাইট থেকে (http://www.joomla.org/download.html) জুমলা আপনার পিসিতে নামিয়ে আনজিপ করুন। তারপর সেই ফোল্ডারের সব কন্টেন্ট আপনার সার্ভারে আপলোড করুন। আপলোড করার ক্ষেত্রে সুবিধা হয় যদি আপনি কোন এফটিপি টুল ব্যবহার করেন। যাই হোক, আপলোড করার পর আপনি এই ছবিটির মত একটি দৃশ্য পাবেন। এটাই জুমলা সেটাপের প্রথম ধাপ।
http://media.somewhereinblog.net/images/thumbs/rupok_abc_1224001846_1-jm1.JPG
এরপর আপনার কাঙ্খিত ভাষা নির্বাচন করুন। তারপর আপনার সিস্টেম চেক করা হবে, তারপর দেখানো হবে লাইসেন্স। তারপর আপনাকে আপনার তৈরীকৃত ডাটাবেজের নাম, ওই ডাটাবেজের ইউজারের নাম, পাসওয়ার্ড, আপনার হোস্ট নেইম লিখতে হবে। ডাটাবেজ ও ইউজার ঠিকমত করা থাকলে আপনাকে পরের পাতায় নিয়ে যাওয়া হবে।
http://media.somewhereinblog.net/images/thumbs/rupok_abc_1224002909_2-jm2.JPG
http://media.somewhereinblog.net/images/thumbs/rupok_abc_1224002957_3-jmlinc3.JPG
http://media.somewhereinblog.net/images/thumbs/rupok_abc_1224003009_4-jm4.JPG
এরপর আপনাকে এফটিপি কনফিগারেশন নির্ধারন করে দিতে বলা হবে।
http://media.somewhereinblog.net/images/thumbs/rupok_abc_1224003051_5-jmftp5.JPG
এরপর আপনাকে নিয়ে যাওয়া হবে মেইন কনফিগারেশন পেইজে।
http://media.somewhereinblog.net/images/thumbs/rupok_abc_1224003344_6-jmmain.JPG
এখানে আপনাকে সাইটনেইম, এডমিন ই-মেইল ও পাসওয়ার্ড দেয়া, স্যাম্পল ডাটা ইন্সটল ইত্যাদি কাজ করতে হবে।
এরপর আপনি নিচের পেইজটি পাবেন।
http://media.somewhereinblog.net/images/thumbs/rupok_abc_1224003418_7-jmfinish6.JPG
এরপর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন কাজ হল আপনার সার্ভার থেকে ইন্সটলেশন নামে যে ফোল্ডারটি আছে সেটি ডিলিট করে দেয়া।
ব্যস............হয়ে গেল জুমলা সেটাপ দেয়া।
জুমলা টিউটোরিয়াল-1
শুরু করেছি জুমলা ১.x.১২ দিয়ে আর এখন ১.৫.x এ কাজ করছি। ভাবছি আমার অভিজ্ঞতা নিয়ে এই পোস্টে নিয়মিত লিখবো।
প্রফেশনার কাজ করার জন্য নিশ্চয় ডাউনলোড করা টেমপ্লেট বা ফ্রি টেমপ্লেট দিয়ে কাজ হবে না। এই জন্য আপনাকে নিজে টেমপ্লেট বানিয়ে নিতে হবে। জুমলার ট্রিক্সগুলো এপ্লাই করতে হবে। জুমলার ব্যবহারের মানে হলো আপনাকে পিএইচপি কোডিং খুব বেশি জানতে হবে না, জানতে হবে না মাইএসকিউএল এর কাজ কারবার। তবে যদি জানেন তবে সেটা হবে আপনার জন্য প্লাস। কারন এর উপর নির্ভর করছে আপনি কতটা কাস্টমাইজ করতে পারবেন জুমলা। কারন জুমলা একটা সিএমএস হলেও এর রয়েছে নিজস্ব ফ্রেমওয়ার্ক। আপনি যদি নিজে এই ফ্রেমওয়ার্ক এক বার শিখে নিতে পারেন তাহলে অনেক সহজে ফুল কাস্টমাইজড সাইট বানিয়ে ফেলতে পারবেন জুমলা দিয়ে।
এখন কথা হচ্ছে কিভাবে শুরু করবেন তাইতো ? জুমলার সাইট থেকে জুমলা ডাউনলোড করুন। লোকালহোস্ট ইনস্টল করুন। ইনস্টল করার সময় স্যাম্পেল ডাটা ইনস্টল করুন। এতে প্রথম দর্শনে আপনার বুঝতে সুবিধা হবে। কিভাবে ইনস্টল করবেন তা নিয়ে আমি এখানে লিখছি না কারন এটা নিয়ে আলরেডি অন্য পোস্ট আছে।
জুমলার বেসিক নিয়ে কিছু আলোচনা করি আগে। জুমলা এতো বেশি ফ্লেস্কিবল যে আপনি কোন লাইভ সাইটেও অনালাইনে চাইলে নতুন কিছু যুক্ত করে দিতে পারবেন ধুম করে। ধরুন আপনার ক্লায়েন্ট হঠাৎ করে একদিন বললো তার মিডিয়া গ্যালারী চাই। আবার হোম পেজে এক পাশে একটা জায়গায় রিসেন্ট মিডিয়া ইনফরমেশন দেখাতে চাই। কোন চিন্তা নাই। জুমলার আছে একটা রিসোর্সফুল এক্সটেনশন ডিরেক্টরি। সেখান থেকে আপনি একাধিক মিডিয়া গ্যালারি যাচাই বাছাই করে কোন কম্পোনেন্ট ডাউনলোড করে নিতে পারেন। দেখবেন কিছু কিছু মিডিয়া গ্যালারীর সাথে মডুলস ও দেওয়া থাকে। হয়তো দেখা যাবে রিসেন্ট মিডিয়া দেখানোর মডুল সাথেই দিয়ে দিছে। তারমানে আপনি শুধু এই গুলো ইনস্টল করে লিঙ্ক করে দেবেনে মেনু থেকে আর কিছু সিএসএস এর কাজ যদি লাগে। আসলে জুমলার কাজে পিএইচপি বা মাইসিকিএলের জ্ঞানের চেয়ে সিএসএস এর জ্ঞান বেশি থাকা লাগে যা সাধারনত ওয়েব ডিজাইনার এর কাজ।
এই পর্যায়ে আমার আলোচনাগুলো যদি পড়তে পড়তে ঘুম চলে আসে তাহলে এখানে কিছুক্ষন পজ রেখে দিন এবং কিছু সময় পরে আবার দেখুন।
জুমলা ইনস্টল করলে দেখবেন বেশ কিছু ফোল্ডার ফাইল এই সব হাবিজাবি। আমাদের জন্য কিছু জিনিস দরকারী হবে সামনে যেমন-administrator, modules, components , plugins এবং administrator এর ভেতরের ( modules, components , plugins), templates (এটা খুব দরকারী প্রথম পর্যায়ে কারন এই খানে বেশ কিছু ছুরি কাঁচি চালাতে হবে আপনাকে যদি নিজের মতো করে টেমপ্লেট ডিজাইন করতে চান)।
ভালো কথা আমার আলোচনাগুলো হবে জুমলার লেটেস্ট ভার্সন বা জুমলা ১.৫.x সিরিজ নিয়ে কারন এখন এটা নিয়েই বেশি কাজ করে সবাই।
মডুল, কম্পোনেন্ট, প্লাগিনস ফ্রন্টএন্ড ও ব্যাকএন্ড দুই জায়গার জন্যই হতে পারে। মডুলের কাজ গুলো টেমপ্লেট এর কোন নির্দিষ্ট স্থানে কোন কিছু বিশেষ ভাবে দেখানো। দেখা যায় বেশির ভাগ মডুল কোন কম্পোনেন্টের সাথে রিলেটেড, নাও হতে পারে।যেমন ধরুন আপনার একটা ব্লগ সাইট আছে যেখানে অনেক পোস্ট হয়। আপনি চান রিসেন্ট পোস্টগুলো দেখাবেন। তাহলে দেখবেন আপনি জুমলার এক্সটেনশন ডিরেক্টরীতে রিসেন্ট কনটেন্ট আইটেম দেখানোর মতো কোন মডুল পাবেন। যেমন mod_dn. এটার কাজ হলো কোন সেকশন বা ক্যাটাগরী থেকে কন্টেন্ট আইটেম এর লিস্ট দেখানো। এখন এটা অনেক ভাবে হতে পারে যেমন র্যান্ডমলি, রিসেন্ট আগে, পুরানগুলো আগে বা ডেট অনুসারে ইত্যাদি বিভিন্ন রকম ভাবে পোস্ট বা কন্টেন্ট আইটেম এর লিস্ট আপনি দেখতে পারেন। এর জন্য আপনাকে কোডিং জানতে হবে না। এডমিন প্যানেল থেকে extention মেনু থেকে মডুলস এ যাবেন আর পজিশন(পজিশন জিনিসটা টেমপ্লেটের সাথে জড়িত, পরে আলোচনায় আসছি) অনুসারে মডুলটা খুঁজে বের করে সেটিংগুলো চেক করুন আর আপনার পছন্দের সেটিং সেট করুন। আর মডুলটা আপনার ইচ্ছা মতো টেমপ্লেটের কোন পজিশনে পাব্লিশ করুন। হয়ে গেলো। আর সেটিং চেক করার সময় আপনি কোন সেকশন বা ক্যাটাগর থেকে রিসেন্ট আইটেম দেখাবেন তার নাম অথবা আইডি দিয়ে দিন।
এখন আসি কম্পোনেন্ট এর কথায়। হাজার হাজার কম্পোনেট আপনি ফ্রি পাবেন জুমলার সাইটে। ধরুন আপনার সাইটের জন্য সাইটম্যাপ বানাবেন। চিন্তা নাই সাইট ম্যাপ বানানোর জন্য একাধিক চমৎকার কম্পোনেন্ট আছে-যেমন ধরুন xmap আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। এডমিন প্যানেল থেকে component থেকে xmap এ যান আর বিভিন্ন রকম অপশন আছে তা নিয়ে খেলাধুলা করুন। চিন্তা নাই একটা একটা অপশন পরিবর্তন করে তা আবার ফ্রন্ট এন্ড থেকে দেখে নিন। আরে ভাই খেলতে খেলতেইতো শেখা হবে, তাই না ?
এখন আসি টেমপ্লেট বানানো নিয়ে। আমার কাছে ফ্রি টেমপ্লেট ভালো লাগে না। তবে নিজে নিজে টেমপ্লেট বানাতে হলে একজন ফটোশপ এক্সপার্ট অবশ্যই লাগবে না হলে আপনাকেই ইমেজ বানিয়ে নিতে হবে।কাস্টম টেমপ্লেট বানানোর জন্য কি করতে হবে?
মনে মনে আগে সিনারিও দাড় করান যে আপনার সাইটে কি কি থাকবে। মাথার ভেতর একটা লেয়াউট তৈরি করুন।
২। যা এতোক্ষন চিন্তা করলেই এখন সেইটা মাটিতে নামাতে হবে মানে নিজে নিজে অথবা কোন ডিজাইনারকে দিয়ে ফটোশপ বা ইমেজ এডিটিং টুল দিয়ে সেই লেয়াউটের ছবি তৈরি করুন।
৩। ডিজাইন শেষ হলে ইমেজ থেকে প্রয়োজনীয় স্লাইস বের করুন। যেমন কোন বাটনের ব্যাকগ্রাউন্ড ইমেজ লাগবে তা ঐ মেইন ডিজাইন থেকে দরকার মতো স্লাইস করে নিতে হবে। এখানে যেহেতু জুমলাতে কাজ করতে হলে জুমলার ট্রিক্স ছাড়া দরকার ভালো সিএসএস জ্ঞান।
৪। আশা করি ইমেজে আকারে একটা টেমপ্লেট বানিয়ে ফেলেছেন। এখন আমাদের কাজ হবে এইটাকে জুমলার টেমপ্লেট নিয়ে যাওয়া।
জুমলা টিউটোরিয়াল-২ (সেকশন, ক্যাটাগরী ও আর্টিকেল)
নোটঃ এই টিউটোরিয়ালটি তাদের জন্য যারা নিজে থেকে জুমলা ইনস্টল করতে জানেন এবং জুমলার এডমিন প্যানেলে লগিন করতে পারেন।
জুমলা কাস্টমাইজেশনের (টেমপ্লেট ডিজাইন, মডুল ও কম্পোনেন্ট তৈরি) আগে ভালো করে জেনে নেওয়া উচিৎ এর সাধারণ গঠন। অর্থাৎ কোন কাস্টমাইজেশন ছাড়াই কিভাবে ডাউনলোড করা টেমপ্লেট, মডুল ও কম্পোনেন্ট দিয়ে কাজ সেরে ফেলা যায়।
আপনি যদি এডমিন প্যানেলে প্রবেশ করেন তাহলে নিচের মতো একটি ছবি দেখতে পারবেন।
আমি আস্তে আস্তে সব কিছু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। মাঝে মাঝে মনে হতে পারে কথা গুলো বিচ্ছিন্ন কিন্তু কিছুদূর যাবার পরে যখন একটার সাথে আরো একটা মিল খুঁজে পাবেন তখন আবার হয়তো ট্রাকে ফিরে আসবেন।
যদি একটু খেয়াল করেন তাহলে এডমিন প্যানেলে ঢুকার পর মাঝখানে চোখের সামনে ভেসে আসবে কিছু ব্লক। যার ভেতর Section Manager, Category manager এবং Article Manager এই তিনটা জিনিসের দিকে এখন খেয়াল দেবো।
Section Manager, Category manager এবং Article Manager কি এবং কেনঃ
ধরুন আপনি কিছু একটা লিখলেন, হতে পারে একটা গল্প। আমরা এটাকে একটা আর্টিকেল হিসাবে ধরে নিলাম জুমলার ভাষায়। যদি দেখা যায় আপনি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গল্প লিখছেন তাহলে কি চিন্তা করা যায় না যে, আপনার লেখা আর্টিকেল গুলোকে আমরা বিষয় ভিত্তিক বিভিন্ন ক্যাটাগরীতে ভাগ করতে পারবো। একই ভাবে যদি দেখা যায় যে, এতো বেশি গল্প লেখা শুরু করেছেন যে, তা শুধু ক্যাটাগরীতে ভাগ করেই শেষ করা যাচ্ছে না। এই ক্যাটাগরী গুলোকে আবার আলাদা ভাবে বিষয় বা অন্য কোন মান হিসাবে ভিন্ন ভাবে রাখা যেতে পারে। অর্থাৎ এখন আমরা ক্যাটাগরীগুলোকে সেকশনে ভাগ করবো। তাহলে কি দাড়ালো যদি শেষ থেকে চিন্তা করি। ধরুন প্রতিবছর যে গল্পগুলো লিখেন তা সেকশনে ভাগ করলাম যেমন
বছর-২০০৮
বছর-২০০৭
……………
এখন প্রতি বছর আপনি বেশ কিছু ক্যাটাগরীতে গল্প লিখেছেন তা নিম্নরুপঃ
হাস্য-রসাত্মক
জীবন ঘনিষ্ঠ
……………
এখন প্রতিটি ক্যাটাগরীতে গল্পগুলো বা আর্কিকেল এই রকমঃ
বাড়ির কাছে আর্শিনগর-গল্প-১
অমুকের থলের বেড়াল-গল্প-২
পুরা জিনিসটা দাড়ালো এই রকমঃ
সেকশন-১(বছর-২০০৮)
—ক্যাটাগরী-১(হাস্য-রসাত্মক)
———-আর্টিকেল-১
———-আর্টিকেল-২
———-আর্টিকেল-৩
—ক্যাটাগরী-২(জীবন ঘনিষ্ঠ)
———-আর্টিকেল-১
———-আর্টিকেল-১
সেকশন-২(বছর-২০০৭)
—ক্যাটাগরী-১(হাস্য-রসাত্মক)
—ক্যাটাগরী-২(জীবন ঘনিষ্ঠ)
কি এখন পরিস্কারতো কেন আমাদের সেকশন ,ক্যাটাগরী ও আর্টিকেল দরকার। উত্তর নিশ্চয় সহজ- আমরা আমাদের আর্টিকেল বা গল্পগুলো সুন্দর ও সুবিন্যস্ত ভাবে সাজিয়ে রাখবো। হ্যাঁ আপনি যদি বেশি গতিতে এগিয়ে থাকেন তাহলে আপনাকে থামিয়ে দিয়ে বলবো জুমলাতে (আপাতত সাধারন ভাবে ধরে নিতে হবে) সেকশন, ক্যাটাগরী ও আর্টিকেল এই তিনটা ধাপ আপনি পাবেন। মানে সেকশনের পরে কিছু আর নাই।
হে হে হে, নিশ্চ্য় প্রশ্ন করার জন্য ওতপেতে আছেন যে, কিভাবে আমি এইগুলো(সেকশন, ক্যাটাগরী ও আর্টিকেল) তৈরি করতে পারবো। এখানে ঘটনা উল্টা , মানে আগে গল্প লিখে পরে ঠাকুরমার ঝুলিতে ফেলবেন তা হবে না। আপনাকে আগে ঝুলি রেডি করে এরপর গল্প লেখা শুরু করতে হবে।
:D<">
তারমানে দাড়ালো যে, আগে একটা সেকশন বানানো, এখন এই সেকশনের আন্ডারে একটা ক্যাটাগরী বানাবো এবং এখন গল্প লিখবো কিন্তু গল্প বা আর্টিকেল লেখার সময় অবশ্যই ঠিকঠাক মতো ঐ গল্পের জন্য সেকশন ও ক্যাটাগরী পছন্দ করে দেবো(ভুল হলে সমস্যা নাই যে কোন সময় আমরা তা সম্পাদনা করতে পারবো)।
হুম চটপট সেকশন ম্যানেজারে ঢুকুন আর একটা সেকশন বানিয়ে ফেলুন। কিন্তু কিভাবে বানাবেন, কোথায় ক্লিক করবেন!!! কি বিপদ…
হুম নিচের ছবিটা দেখেন
ব্যাপার হচ্ছে জুমলাতে যখনই কোন কেরামতি করতে যাবেন দেখবেন ডান দিকে উপরে কিছু বাটন আছে যেমন পাবলিশ, আনপাবলিশ, এডিট, নিউ/এড, ডিলিট ইত্যাদি। এতো সহজ ভাবে নাম গুলো দেওয়া বাটনের যে আপনি নতুন একটা সেকশন বানানোর জন্য সেকশন ম্যানেজারে গিয়ে প্রথমে New(+) এই রকম বাটনে ক্লিক করবেন এবং ঠিক কাজটাই করবেন। যে স্ক্রিন আসবে সেটা নিচের মতো
বাম দিকে দেখুন, title এবং alias নামে দুইটা বক্স আছে। আপনি চাইলে ২য়টা খালি রাখতে পারেন কিন্তু তা করবেন না। এখানে প্রথমে টাইটেল বক্স সেকশনের নাম দিন। এরপর এক জিনিস alias এ লিখেন। নিচের ডেস্ক্রিপশন বক্সে সেকশনের বর্ননা দিন সংক্ষেপে (এটা বাধ্যতামূলক নয় কিন্তু দিয়ে রাখা ভালো)। এখন একটু লক্ষ্য করুন Published -> No / Yes. কোনটা আছে। ডিফল্ট ইয়েস থাকার কথা না তাহলে করে দিন। এছাড়াও দেখবেন মেনু ইমেজ, একসেস লেভেল এই গুলো যা আসে ডিফল্ট তাই রেখে দিন(এটা গুরুত্বপূর্ণ তবে আমরা এখন দেখবো না)।
এখন হলো আরেক মজার জিনিস। দেখুন ডান পাশে উপরে কিছু বাটন আছে। Save, Apply, Cancel , Help. এখানে Save বাটনে ক্লিক করে বের হয়ে আসেন।
কিন্তু বাদ বাকিগুলো কেন তাইতো ?
Save — আপনি বর্তমান উইন্ডোতে যা কিছু করেছেন তা ডাটাবেজে সংরক্ষণ হবে এবং ঐ ওয়ার্কিং উইন্ডো থেকে আপনাকে বের করে আগের উইন্ডোতে নিয়ে আসবে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করে।
Apply—আপনি বর্তমান উইন্ডোতে যা কিছু করেছেন তা ডাটাবেজে সংরক্ষণ হবে এবং ঐ ওয়ার্কিং উইন্ডোতে আপনাকে আপনাকে আবার নিয়ে আসবে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করে এবং আপনি প্রয়োজনীয় সম্পাদনা করতে পারবেন এবং একই ভাবে সেইভ বা আপ্লাই বাটনে ক্লিক করতে পারবেন।
Cancel—শেষ বার আপ্লাই বা সেইভ বাটনে ক্লিক করার পর যে অবস্থায় ছিলো সেই অবস্থায় রেখে (মানে ডাটাবেজ আপডেট স্ট্যাটাস) আপনাকে বর্তমান উইন্ডো থেকে বের করে আগের উইন্ডোতে নিয়ে আসবে।
এইযে এতো কিছু প্যাচাইলাম সেইভ, আপ্লাই নিয়ে আর কারণ হলো এই ধরনের অপশন আপনি অনেক জায়গায় পাবেন তাই সিদ্ধান্ত নিতে খুব বেশি চিন্তা করতে হবে না।
উফফফ এতোক্ষনে নিশ্চ্য় বেশ কিছু সেকশন তৈরি করে ফেলেছেন।
জ্বী, আপনি ঠিকই ধরেছেন যে, একই ভাবে ক্যাটাগরী ম্যানেজারে গিয়ে আপনাকে ক্যাটাগরী তৈরি করতে হবে তবে সেক্ষেত্রে আপনাকে একটু সামান্য কষ্ট করে ক্যাটাগরীটি কোন সেকশনের আন্ডারে তা একটা ড্রপ ডাউন লিস্ট থেকে দেখিয়ে দিতে হবে। আশা করি আপনি তা ধুম ধাম করে ফেলবেন।
কিন্তু একই ভাবে আপনি আর্টিকেল ম্যানেজারে গিয়েও কাজ টা সারতে পারেন। তবে এইটা নিয়ে আমি কিছু গল্পবাজি করবো।
কিভাবে আর্টিকেল লিখবেন, রিডমোর, ইমেজ দিবেন কিভাবে ইত্যাদি একটু বিস্তারিত জানাতে আগ্রহী। বরাররের মতো আর্টিকেল ম্যানেজারে গিয়ে নিউতে ক্লিক করে নতুন একটা আর্টিকেল নিন এবং টাইটেল ও এলিয়াস লিখে সেকশন ও ক্যাটাগরী দেখিয়ে দিন।
এখন একটা না অনেকগুলো কথা আছে ভাই, আস্তে আস্তে বলি। একবার নিচের ছবিটা দেখুন ভালো করে, অনেক সহজ তাই না ?
দেখবেন অনেক সাইটের কোন আর্টিকেলের কিছু অংশ যেমন ৫-১০ লাইন দিয়ে Read More দিয়ে লিঙ্ক করা থাকে। এরপর ঐ রিডমোরে ক্লিক করলে ফুল আর্টিকেল পেজ আসে। জুমলার ১.x ভার্সনে ইন্ট্রো ও ফুল ডেস্ক্রিপশন লেখার জন্য দুইটা আলাদা ফিল্ড ছিলো বা এডিটর ছিলো কিন্তু ১.৫ এ জিনিসটা আরো সহজ করা হয়েছে।
আগে আপনি ঠিক করে নিন যে আপনি ফুল পেজে যা শো করবেন তা কি ইন্ট্রো সহ নাকি ইন্ট্রোর পরের টুকু। যেভাবে চাইবেন সেইভাবেই সম্ভব। আপনার গল্পটা আগে লিখে ফেলুন এডিটরে এরপর ইন্ট্রো হিসাবে মানে ঐ Read More এর আগে যা দেখাবেন সেই পজিশনে মাউস কারসর নিন এবং নিচে দেখুন একটা বাটন আছে “Read More” লেখা ওটা ক্লিক করুন। একটা লাইন চলে আসবে লেখার ভেতর। এটা হলো এডিটর উইন্ডোতে ইন্ট্রো ও ফুল আর্টিকেলের সেপারেটর নির্দেশক লাইন। এখন সেইভ করে বের হয়ে আসুন। হয়ে গেলো আপনার আর্টিকেল বানানো।(ইমেজ যুক্ত করা ও অন্যান্য অপশন গুলোর জন্য পরে আলোচনা হবে। আগে বেসিক :D<"> )
0 comments:
Post a Comment