Posted by
it news
comments (0)
পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে নির্দিষ্ট কোন সার্ভার থাকে না। সব পিসিই ক্লায়েন্ট/সার্ভার হিসেবে কাজ করে। পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক সাধারনত ৫/১০ টা পিসির একটা নেটওয়ার্ক যেখানে মূলত ফাইল/প্রিন্টার শেয়ার, ইন্টারনেট শেয়ার, নেটওয়ার্ক গেম খেলা বা এই ধরনের ছোটখাট কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়। আপনার বাসা বা প্রতিষ্ঠানে একের অধীক কম্পিউটার থাকলে খুব সহজেই আপনি একটা পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক সেটাপ করে ফেলতে পারেন। এজন্য আপনার অতিরিক্ত যা লাগবে তা হল:১. প্রত্যেকটা পিসিতে NIC(ল্যান কার্ড)২. পিসির সংখ্যা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পোর্ট সহ হাব/সুইচ৩. পিসির সংখ্যা অনুযায়ী UTP ক্যাবলইদানিং বেশিরভাগ মাদারবোর্ডেই ল্যান কার্ড বিল্টইন থাকে। তাই আপনার পিসিতে বিল্টইন আছে কিনা দেখে নিন। না থাকলে কিনে লাগিয়ে নিন। মাদারবোর্ডে বিল্টইন এবং আলাদা ল্যান কার্ডের ছবি নিচে দেখুন।






হাব/সুইচ বিভিন্ন পোর্টের পাওয়া যায়। যেমন ৫পোর্ট, ৮পোর্ট, ১৬পোর্ট, ২৪পোর্ট ইত্যাদি। প্রত্যেকটা পিসি একটা করে পোর্ট ব্যবহার করবে। তাই আপনার পিসির সংখ্যা অনুযায়ী কত পোর্টের হাব/সুইচ কিনবেন তা নির্ভর করবে। হাব আর সুইচের মধ্যে পার্থক্য কি সেটা জানার জন্য এই লেখাটি পড়ুন। নিচে একটি ৫ পোর্টের সুইচের ছবি দেওয়া হল।
বিভিন্ন দৈর্ঘের রেডিমেড UTP ক্যাবল কিনতে পাওয়া যায়। অথবা প্রয়োজনীয় টুলস থাকলে আপনি নিজেও তৈরী করতে পারবেন। নিজে তৈরী করতে চাইলে এই লেখাটি পড়ুন। UTP ক্যাবলের এক প্রান্ত পিসির ল্যান কার্ডে এবং অপর প্রান্ত সুইচের যে কোন পোর্টে লাগাতে হবে। নিচে একটা রেডিমেড UTP ক্যাবলের ছবি দেওয়া হল।
ফিজিক্যাল সেটাপ হয়ে গেলে এবার কম্পিউটারে কিছু সেটিং করতে হবে। ধরে নিচ্ছি সবগুলো পিসিতে উইন্ডোজ এক্সপি ইনস্টল করা। প্রথমে উইন্ডোজের বিল্টইন ফায়ারওয়ালটা ডিসেবল করে নিতে হবে। কারন এটা তেমন কোন কাজে আসে না । বরঞ্চ ফাইল শেয়ারিংয়ের ক্ষেত্রে ঝামেলা করতে পারে। ফায়ারওয়াল ডিসেবল করার জন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরন করুন:
১. Start Menu -> (Settings) -> Control Panel -> Windows Firewall এ ডাবল ক্লিক করুন। ফায়ারওয়াল সেটিং উইন্ডো চালু হবে।
২. Off (not recommended) সিলেক্ট করে OK দিন।৩. ফায়ারওয়াল বন্ধ করার করার পর Your computer might be at risk লেখা একটা ওয়ার্নিং মেসেজ দিতে পারে। ভয়ের কিছু নেই। এটা বন্ধ করতে চাইলে এই লেখাটি পড়ুন।পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক সেটাপের জন্য প্রত্যেকটা পিসিতে একটা আইপি এড্রেস সেট করতে হবে। আমরা প্রথম পিসিতে 192.168.1.1 আইপি টি ব্যবহার করব এবং পরবর্তী পিসিগুলোতে পর্যায়ক্রমে 192.168.1.2, 192.168.1.3, 192.168.1.4..........192.168.1.254 পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারব। খেয়াল রাখবেন একই আইপি একাধিক পিসিতে দেওয়া যাবে না। আইপি সেট করার জন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরন করুন:
১. Start Menu -> (Settings) -> Control Panel -> Network Connections এ যান।
২. Local Area Connection নামে একটা আইকন দেখতে পাবেন। নিচের ছবির মত। এটাতে রাইট মাউস ক্লিক করে Properties এ ক্লিক করুন।

৩. Internet Protocol (TCP/IP) তে ডাবল ক্লিক করুন।
৪. Usse the following IP address এ ক্লিক করে IP address: এ লিখুন 192.168.1.1। Subnet mask: এ সয়ংক্রিয়ভাবে 255.255.255.0 বসে যাবে। OK -> OK ক্লিক করুন।
৫. ডেস্কটপে My Computer আইকনে রাইট মাউস ক্লিক করে Properties এ ক্লিক করুন। Computer Name ট্যাবে যান। Change বাটনে ক্লিক করুন। Computer name: এ লিখুন PC01। OK -> OK -> OK ক্লিক করুন। কম্পিউটার রিস্টার্ট করতে বলবে Yes দিন। এখন থেকে এই কম্পিউটারকে আপনি নেটওয়ার্কে PC01 নামে পাবেন। আপনার প্রথম পিসিটা সেটাপ হয়ে গেল।
৬. এইভাবে প্রত্যেকটা পিসিকে সেটাপ করুন। যেমন: ২য় পিসিতে আইপি হবে 192.168.1.2 এবং Computer name: PC02 হবে।সবগুলো পিসি সেট হয়ে গেলে। PC01 কম্পিউটারের Start Menu -> Run এ cmd লিখে এন্টার দিন। কমান্ড প্রম্পট চালু হবে। এখানে ping 192.168.1.2 লিখে এন্টার দিন। সব কিছু ঠিক থাকলে Reply from 192.168.1.2......লেখা একটা লাইন চার বার আসবে। এভাবে আপনি যতগুলো পিসিতে আইপি সেট করেছেন সবগুলো একবার চেক করুন। উদারন: ping 192.168.1.3, ping 192.168.1.4 ইত্যাদি। যে আইপিতে Reply from....এর পরিবর্তে Request timed out লেখা আসবে ধরে নিতে হবে সেই কম্পিউটারে সেটিং ঠিকমত হয়নি। সেক্ষেত্রে পিসিটাতে উপরোল্লেখিত সবকিছু আবার চেক করুন।আপনার পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক তৈরী হয়ে গেল।
Posted by
it news
comments (0)
ধরা যাক আপনার ৩০ পাতার একটা ডকুমেন্ট আছে যেটার কিছু সম্পাদনা করা প্রয়োজন। কিন্তু আপনি কস্ট করে এত গুলো সব লেখা আবার টাইপ করতে চান না। কি করবেন আপনি?
দরকার - এডবি এক্রোব্যাট রিডার প্রফেশনাল এবং একটি স্ক্যানার।
প্রথমে ডকুমেন্টটি স্ক্যান করুন টেক্সট হিসেবে। এ ব্যাপারে আপনার স্ক্যানারের ইউজার গাইড দেখতে পারেন কিভাবে করতে হবে। আজকাল সব স্ক্যানারই আপনাকে ডকুমেন্ট পিডিএফ ফাইল হিসেবে সেভ করার অপশন দেবে। চট করে পিডিএফ স্ক্যান করে নিন আপনার ফাইল কে।
এবার এডবি এক্রোব্যাট এ ফাইলটি খুলুন। Document মেনুতে দেখবেন একটি অপশন আছে OCR Text Recognition, সেটি সিলেক্ট করুন, তারপর বেছে নিন Recognize Text using OCR ...
এরপর এডবি নিজে থেকেই যতদুর সম্ভব টেক্সটগুলোকে এমন একটা পিডিএফ ফাইলে পরিনত করবে যেটা থেকে মাউস দিয়ে আপনি অনেকাংশে টেক্সট বাছাই করতে পারবেন এবং অন্য যেকোন এপ্লিকেশনে পেস্ট করতে পারবেন।
এবার File > Save As এ টিপ দিন এবং মাইক্রোসফট ওয়ার্ড হিসেবে সেভ করুন। এরপর আপনি অতি সহজেই মাইক্রসফট ওয়ার্ড থেকেই সম্পাদনা করতে পারবেন।
বলাবাহুল্য এই পদ্বতি ১০০% কার্যকরী নয়, তবে আপনি প্রায় ৮০% এরও বেশি এভাবে স্ক্যান করে ওয়ার্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন। আরো একটি কথা কিন্তু! বাংলা ভাষার জন্য এটি কতটা কার্যকর তা পরীক্ষা করা আমাদের পক্ষে সম্ভব হয়নি এবং বাংলাতে এটি আপাতত সম্ভব নয় বলে আমাদের বিশ্বাস। যদি অপ্টিকাল ক্যারেক্টার রেকগনিশনে বাংলা ব্যাবহার করা যায়, তাহলে আপনাদের বিস্তারিত জানাব। এডবি তে কেবলমাত্র বাংলা ল্যাঙ্গুয়েজ ঢুকানোর পরেই এটা করা যেতে পারে।
দরকার - এডবি এক্রোব্যাট রিডার প্রফেশনাল এবং একটি স্ক্যানার।
প্রথমে ডকুমেন্টটি স্ক্যান করুন টেক্সট হিসেবে। এ ব্যাপারে আপনার স্ক্যানারের ইউজার গাইড দেখতে পারেন কিভাবে করতে হবে। আজকাল সব স্ক্যানারই আপনাকে ডকুমেন্ট পিডিএফ ফাইল হিসেবে সেভ করার অপশন দেবে। চট করে পিডিএফ স্ক্যান করে নিন আপনার ফাইল কে।
এবার এডবি এক্রোব্যাট এ ফাইলটি খুলুন। Document মেনুতে দেখবেন একটি অপশন আছে OCR Text Recognition, সেটি সিলেক্ট করুন, তারপর বেছে নিন Recognize Text using OCR ...
এরপর এডবি নিজে থেকেই যতদুর সম্ভব টেক্সটগুলোকে এমন একটা পিডিএফ ফাইলে পরিনত করবে যেটা থেকে মাউস দিয়ে আপনি অনেকাংশে টেক্সট বাছাই করতে পারবেন এবং অন্য যেকোন এপ্লিকেশনে পেস্ট করতে পারবেন।
এবার File > Save As এ টিপ দিন এবং মাইক্রোসফট ওয়ার্ড হিসেবে সেভ করুন। এরপর আপনি অতি সহজেই মাইক্রসফট ওয়ার্ড থেকেই সম্পাদনা করতে পারবেন।
বলাবাহুল্য এই পদ্বতি ১০০% কার্যকরী নয়, তবে আপনি প্রায় ৮০% এরও বেশি এভাবে স্ক্যান করে ওয়ার্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন। আরো একটি কথা কিন্তু! বাংলা ভাষার জন্য এটি কতটা কার্যকর তা পরীক্ষা করা আমাদের পক্ষে সম্ভব হয়নি এবং বাংলাতে এটি আপাতত সম্ভব নয় বলে আমাদের বিশ্বাস। যদি অপ্টিকাল ক্যারেক্টার রেকগনিশনে বাংলা ব্যাবহার করা যায়, তাহলে আপনাদের বিস্তারিত জানাব। এডবি তে কেবলমাত্র বাংলা ল্যাঙ্গুয়েজ ঢুকানোর পরেই এটা করা যেতে পারে।
Posted by
it news
comments (0)
বিভিন্ন সফটওয়্যার দ্বারা কম্পিউটারের ডেক্সটপকে ভিডিও হিসাবে ক্যাপচার করা যায়।
এসব সফটওয়্যারগুলোর বেশীরভাগই ট্রাইল কিংবা ডেমো।
ফলে ভিডিওর উপরে উক্ত কোম্পানীর বিজ্ঞাপন বা নাম থাকে।
যার ফলে ভিডিওটি দেখতে বেশ দৃষ্টিকটু লাগে।
কিন্তু আপনি যদি ক্যাম স্টুডিও সফটওয়্যার দ্বারা ডেক্সটপকে ভিডিও
হিসাবে ক্যাপচার করেন তাহলে পূর্বের ন্যায় কোন বিজ্ঞাপন থাকবে না।
ওপেন সোর্স এবং ফ্রি এই সফটওয়্যার দ্বারা আপনি ভিডিও এর সাথে
অডিও রেকর্ড করতে পারবেন। ফলে আপনি সহজেই ভিডিও টিউটোরিয়াল বানাতে পারেন।
শর্টকাট কী ব্যবহার করার ফলে আপনি সফটওয়্যাটি মিনিমাইজ রেখে ভিডিও
রেকর্ড শুরু করতে এবং বন্ধ করতে পারবেন। এছাড়াও SWF মুডেও
আপনি ভিডিও সেভ করতে পারবেন।
মাত্র ১.৩ মেগাবাইটের এই সফটওয়্যারটি http://camstudio.org থেকে ডাউনলোড করতে পারেন।
Posted by
it news
comments (0)
Weebly এটাও একটি ভালো সাইট যা থেকে আপনি সহজেই বানাতে পারবেন
আপনার ওয়েব সাইট বা ব্লগ এরা মুলত ব্লগসাইট বানানোর জন্যই।
এখান থেকে যেসব বিষেশ জিনিষ আপনি করতে পারবেন
*ফ্রি ওয়েব সাইট অথবা ব্লগ সাইট
*পছন্দ মত সহজেই আপনার সাইটের টেম্প্লেট বেছে নিতে পারবেন
*ড্রাগ এবং ড্রপ করেই অন্য কন্টেন বসাতে পারবেন যেমন গুগলে ম্যাপ,গেজেট ইত্যাদি
*ডোমেইন ট্রানসফার করতে পারবেন অথবা নতুন ডোমেইন কিনতে পারবেন।
এখান থেকে সাইট বানাতে চাইলে এখুনি শুরু করতে পারেন
weebly
আর একটি সাইট freeweb এদের দ্বারা ও খুব সুন্দর করে ওয়েব সাইট
বানানো যায়।
এদের এ্যড টু মাই সাইট থেকে আপনি নতুন পেজ বানানো
পেজ ডিলিট করা গেস্টবুক যোগ করা এসব করতে পারবেন
তারপর এরা আপনাকে দিবে ৩০০ এর বেশি টেম্প্লেট পছন্দ করার শুভিধা
যেটা আপনার পছন্দ সেটা ব্যবহার করতে পারবেন...
পেজ এডিটর: এখান থেকে আপনি কোন কন্টেন্ট কোথায় বসাবেন তা বিবেচনা করে বসাতে পারবেন।
ফাইল মেনেজার :এখান থেকে ছবি ভিডিও সফটওয়ার আপলোড করে
আপনার সাইটে দিতে পারবেন।
এখান থেকে ওয়েব সাইট বানাতে চাইলে এই লিংকে যেতে হবে
freewebs
webnode এখান থেকে ও অনেক সহজে সাইট বানানো যায়
এবং অনেক গুলা সাইট বানানোর সাইট ঘুরে আসার পর এটাই আমার কাছে
সবচেয়ে প্রিয়।
এখান থেকে যেসব বিষেশ জিনিষ আপনি করতে পারবেন
*ফ্রি ওয়েব সাইট
*ড্রাগ এবং ড্রপ টেকনলজি
* গেজেট এবং উইজেট বসাতে পারবেন যেমন: ক্রিকেট লাইভ স্কোর
*বুকমার্ক এবং ট্যগিং
*একসাথে অনেক গুলা ফাইল আপলোড
*ডোমেইন ট্রানসফার করতে পারবেন অথবা নতুন ডোমেইন কিনতে পারবেন।
*প্রায় ৪০ টা বেশি টেম্প্লেট
*নিজের বানানো টেম্প্লেট ইম্পোর্ট
*সিএসএস অথবা এইচটিএমএল এডিট করতে পারবেন
*ওয়েব সাইট সেটিস্টিক মানে আপনার সাইটে কয়জন ভিটিট করেছে কোথা থেকে করেছে এসব।
এই সাইটের আরো কয়েকটি চমৎকার জিনিষ হলো এখানে
আর্টিকেল,ফোরাম,পোল,ই কমার্স ইত্যাদি এসব এ্যড করতে পারবেন সহজেই।
দেরি না করে এখুনি বানানো শুরু করতে পারেন আপনার সাইট
webnode
Synthasite এটা থেকেও আপনি বানাতে পারবেন আপনার সাইট এটার ফিচার আর
সব কিছুই প্রায় ওয়েবনোড এর মত তাই আর কিছু লিখলাম না।
সইনথা
Bravenet এখান থেকে ও আপনারা সুন্দর করে ও সহজে সাইট বানাতে পারবেন
এরা দিচ্ছে ৬০০ গিগাবাইট ব্যনডউইথ ৩০ গিগাবাইট ডিস্কস্পেস ফ্রি টেম্প্লেট আরো অনেক কিছু।
আর কিছু ওয়েব টুল ও আপনার সাইটে বসাতে পারবেন যেমন: গেস্টবুক,হিট কাউন্টার,
ওয়েব পোল,হেডলাইন নিউজ ইত্যাদি।
এখুনি ঘুরে আসতে পারেন
http://www.bravenet.com/
page.tl এদের কথায় আপনি মাত্র তিন মিনিটেই আপনার সাইট তৈরি করতে পারবেন
এবং কোন প্রোগরামিং নলেজ লাগবে না ভালো টেম্পলেট আছে ফ্রি গেস্টবুক ও ভিজিটর
ম্যাপ কিন্তু আমার কাছে এই সাইট টা তেমন ভালো লাগে নাই।
ঘুরে আসতে পারেন
http://page.tl/
৩ টি ফ্রি হোস্টিং সাইট..
http://www.987mb.com/
http://www.hostsnake.com/
http://www.zymic.com/
এই তিনটায় কাজ করতে হলে প্রোগরামিং ধারনা লাগবে।
আমার দেখা সেরা ফ্রি ডোমেইন সাইট...
http://www.co.cc/
আর একটি কথা আপনাদের বলি যারা যেকোন সাইট বানানোর সাইট থেকে সাইট
বানাতে চান আগেই তাদের FAQ ও TOS ভালো করে পড়ে নিবেন কারন কিছু
সাইট আছে যারা ৩০ দিনের ট্রায়াল ওয়েব সাইট বানাতে দেয় দেখা গেল আপনি
খুব আশা করে আস্তে আস্তে আপনার সাইটে কে সুন্দর করে গড়ে তুললেন তারপর
ত্রিশ দিন পর বললো টাকা দেন না হলে আপনার সাইট বন্ধ হয়ে যাবে
যেমন একটি সাইট http://www.spruz.com/ এরা ৩০ দিনের ট্রায়াল দেয়
৩০ দিন হয়ে গেলে টাকা না দিলে সাইট বন্ধ করে দেয় তো সবাই এ ব্যাপারে সতর্ক থাকবেন।
এই পোস্ট টি সামইন ব্লগে অনেক আগেই লিখেছিলাম তাও এখআনেও একটা কপি রাখলাম।